এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য আদেশনামা
জনাব/ বেগম………………………………………………………., এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়/ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, ……………………………………., জেলা…………………………………. -এর আদালত।
মোবাইল কোর্ট মামলা নম্বর-……………. তারিখঃ ……………. সন ……………….।
| রাষ্ট্র | বনাম | (অভিযুক্তের নাম)…………………………………………… |
| আদেশের ক্রমিক নম্বর | তারিখ | আদেশ | স্বাক্ষর |
| ১।
|
অদ্য…………………তারিখ ………………… ঘটিকার সময় ……. জেলার …………….উপজেলাধীন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাই বাসস্ট্যান্ডে যানবাহনের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে জনাব—————, পরিদর্শক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ধামরাই, ঢাকা জনাব………………………………. পিতা …………………………. বয়স ……………………………
পেশা ……………………….. ঠিকানা (পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা) ………………………………………………………………… জেলা …………. -এর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর ১৯(১) টেবিলের ৭(ক) ধারার অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করেছেন। অভিযোগটি দেখলাম। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ২ জন সাক্ষীর সম্মুখে আলাদা কাগজে আলামত হিসাবে উদ্ধারকৃত ৫০০(পাঁচশত) গ্রাম গাঁজার জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হল। ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই যে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাই বাসস্ট্যান্ডে যানবাহনের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে অভিযুক্ত জনাব*—————————– -এর নিকটে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশী করে ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় । মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক উদ্ধারকৃত গাছগুলিকে গাঁজা গাছ হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর ১৯(১) টেবিলের ৭(ক) ধারার অভিযোগ দাখিল করেন।
আমার সম্মুখে অপরাধ উদ্ঘাটিত হওয়ায় অভিযুক্ত জনাব ——————————— -এর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর ১৯(১) টেবিলের ৭(ক) ধারায় অপরাধ আমলে গ্রহণ করা হল। অভিযোগ গঠনের প্রাথমিক উপাদান বিদ্যমান থাকায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর ১৯(১) টেবিলের ৭(ক) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হল। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গঠিত অভিযোগ পড়ে ও ব্যাখ্যা করে শোনানো হলে আসামি জানান যে, তার পার্শ্ববর্তী আসনে বসা লোকটি মোবাইল কোর্ট দেখে একটি ব্যাগ ফেলে পিছনের দরজা দিয়ে দ্রুত নেমে গেছে । তিনি ঢাকা থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি একজন মুদি ব্যবসায়ী। তিনি গঠিত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং উদ্ধারকৃত আলামত তার না হওয়ায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন । অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পর্যালোচনা করা হল। উপস্থিত সাক্ষীগণের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দেখা গেল। ঘটনার সময় বা ঘটনার পরপর কোন ব্যক্তি বাস থেকে নামেনি। বাসের কনডাক্টর ——————————(যিনি জব্দ তালিকার ২ নম্বর সাক্ষী) জানান যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ঢাকা থেকে বাসে উঠেছেন এবং আটককৃত ব্যাগটি অভিযুক্ত ব্যক্তির, তাছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির পাশের আসনটিতে কোন যাত্রী ছিল না। অভিযুক্ত ব্যক্তির নিকটবর্তী অপর বাস যাত্রী জনাব—————— ঠিকানা ———————————————(যিনি জব্দ তালিকার ১ নম্বর সাক্ষী) জানান যে, তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ব্যাগটি তার হেফাজতে রাখতে দেখেছেন। উল্লিখিত কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য সঠিক মর্মে গ্রহণ করা গেল না। পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও উপস্থিত সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে আদালতের নিকট অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধে জড়িত মর্মে প্রতীয়মান হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি গঠিত অভিযোগ অস্বীকার করায় তাকে যথাযোগ্য আদালতে বিচারার্থে প্রেরণ করা যুক্তিযুক্ত। এমতাবস্থায়, মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৭(৪) ধারার বিধান মতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা বরাবরে বিচারার্থে প্রেরণ করা হোক। আলামতের নমুনা সংরক্ষণ করতে প্রসিকিউটিং এজেন্সিকে নির্দেশ দেওয়া হল। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা-এর আদালতে উপস্থাপনের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ধামরাই-কে বলা হোক। আদেশের অনুলিপি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ধামরাই থানাকে প্রদান করা হোক। মামলার ছায়ানথি বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা-এর আদালতে প্রেরণ করা হোক।
(সিলমোহর) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও তারিখ |

