এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য আদেশনামা
জনাব/ বেগম……………………………………………………………., এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়/ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, ……………………………………., জেলা…………………………………. -এর আদালত।
মোবাইল কোর্ট মামলা নম্বর-……………….. তারিখঃ ……………. সন ……………….।
| রাষ্ট্র | বনাম | (অভিযুক্তের নাম)……………………………………………………… |
| আদেশের ক্রমিক নম্বর | তারিখ | আদেশ | স্বাক্ষর |
| ১। | অদ্য ……………… তারিখ ……………….. ঘটিকার সময় …………….. জেলার …………… উপজেলাধীন …………….. স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে জনাব——————–, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, …………. উপজেলা, জেলা- ………….. জনাব…………………………………………………………… পিতা……………………………………………………………..
বয়স ……………পেশা…………………………………………. ঠিকানা (পূর্ণাঙ্গ)…………………………………………………. ………………………………………………………………….. এর বিরুদ্ধে বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ, ১৯৫৯-এর ৬(১) ধারার অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করেছেন। অভিযোগটি দেখলাম।
(সংক্ষেপে অপরাধের বর্ণনা) উদাহরণস্বরূপ :- ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই যে, জনাব——————–, মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার আরিচা বাজারস্থ ………….. হোটেলে নোংরা পরিবেশে পঁচা বাসি খাবার বিক্রি করছেন। উপস্থিত উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উক্ত হোটেলের খাবার পরীক্ষা করে উহা পঁচা ও বাসি হওয়ায় এবং হোটেলের পরিবেশ নোংরা থাকায় হোটেলের মালিক/ ম্যানেজার হিসাবে তার/ তাদের বিরুদ্ধে বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ, ১৯৫৯ এর ৬(১) ধারায় অভিযোগটি দায়ের করেন । আমার সম্মুখে অপরাধ উদ্ঘাটিত হওয়ায় (অভিযুক্তের নাম) এর বিরুদ্ধে বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ, ১৯৫৯-এর ৬(১) ধারায় অপরাধ আমলে গ্রহণ করলাম। আলামত হিসাবে পঁচা এবং বাসি খাবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ২ জন সাক্ষীর সম্মুখে জব্দ করে আলাদা কাগজে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হল। অভিযোগ গঠনের প্রাথমিক উপাদান বিদ্যমান থাকায় বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ, ১৯৫৯-এর ৬(১) ধারায় ……………. -এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হল। গঠিত অভিযোগ তাকে পড়ে ও ব্যাখ্যা করে শোনানো হয় এবং তিনি অভিযোগ স্বীকার করেন কিনা জানতে চাওয়া হয়। জবাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তি উপস্থিত সাক্ষী (১) জনাব————————– এবং (২) জনাব—————– -এর সম্মুখে তাদের স্বাক্ষর/ টিপসই এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বাক্ষরসহ আলাদা কাগজে লিপিবদ্ধ করা হল। এই আদালতের সম্মুখে গঠিত অভিযোগ অভিযুক্ত ব্যক্তি সজ্ঞানে এবং বিনা প্ররোচনায় স্বীকার করায় তাকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ – এর ৭(২) ধারার বিধানমতে দোষী সাব্যস্ত করে বিশুদ্ধ খাদ্য অধ্যাদেশ, ১৯৫৯-এর ৬(১) ধারার অপরাধের জন্য ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড/ ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হল; অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৫ (পাঁচ) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হল। সাজা পরোয়ানামূলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হোক। আলামত আমার সম্মুখে ধ্বংস করা হোক। (আলামত সংরক্ষণযোগ্য হলে নমুনা সংরক্ষণ করতে প্রসিকিউটিং এজেন্সিকে নির্দেশ দেওয়া হল)। মামলার নথি সংরক্ষণ করা হোক।
(সিলমোহর) ক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও তারিখ |

